বাংলাদেশ সরকারি ছুটি বিধিমালা ও ফরম ডিরেক্টরি
'দ্যা প্রেসক্রাইবড লিভ রুলস, ১৯৫৯' এবং বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস (BSR) বিধিমালা অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ১৮ ধরনের ছুটির নির্দেশিকা এবং ডাউনলোডযোগ্য আবেদন ফরম।
ডাউনলোডকৃত ফরম
সফল ছুটি হিসাব
ছুটির প্রজ্ঞাপন ও নিয়ম
গুরুত্বপূর্ণ ছুটির ক্যাটাগরি ও গাইডলাইন
নৈমিত্তিক ছুটি (Casual Leave)
চাকুরি বিধিমালা স্বীকৃত ছুটি না হলেও বছরে সর্বোচ্চ ২০ দিন ভোগ করা যায়। দুই পাশে সরকারি ছুটি মিলিয়ে ভোগ করার বিশেষ নিয়ম রয়েছে。
অর্জিত ছুটি (গড় বেতনে)
সক্রিয় কর্মকালের ১/১১ অংশ হারে অর্জিত হয়। সাধারণ প্রয়োজনে এককালীন সর্বোচ্চ ৪ মাস এবং চিকিৎসাপত্রসহ ৬ মাস ভোগ করা যায়।
অর্জিত ছুটি (অর্ধ-গড় বেতনে)
উচ্চতর সার্ভিসের জন্য সক্রিয় কর্মকালের ১/১২ অংশ হারে জমা হয়। চিকিৎসকের সুপারিশে এই ছুটি গড় বেতনের ছুটিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
মাতৃত্বকালীন ছুটি
নারী কর্মচারীদের জন্য সম্পূর্ণ বেতন ও ভাতাসহ এককালীন ৬ মাস (১৮০ দিন) ছুটি। সমগ্র চাকুরি জীবনে সর্বোচ্চ ২ বার এই সুবিধা প্রাপ্য।
শ্রান্তি ও বিনোদন ছুটি
চিত্ত-বিনোদন ছুটি বিধিমালা ১৯৭৯ অনুযায়ী প্রতি ৩ বছর অন্তর ১৫ দিনের গড় বেতনে ছুটি এবং ১ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ ভাতা প্রদান করা হয়।
অধ্যয়ন ছুটি (Study Leave)
উচ্চশিক্ষা বা বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য ন্যূনতম ৫ বছর চাকুরিকাল সম্পন্ন হলে সমগ্র চাকুরি জীবনে সর্বোচ্চ ২ বছর অর্ধ-গড় বেতনে এই ছুটি মঞ্জুর হয়।
অসাধারণ ছুটি (Extraordinary)
হিসাবে কোনো ছুটি জমা না থাকলে সম্পূর্ণ বিনা বেতনে এই ছুটি দেওয়া হয়। তবে একটানা ৫ বছরের বেশি অনুপস্থিত থাকলে চাকুরিচ্যুতির বিধান রয়েছে।
বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি
অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনকালে আঘাতপ্রাপ্ত বা দুর্ঘটনার শিকার হলে চিকিৎসা বোর্ডের সুপারিশে সর্বোচ্চ ২৮ মাস পর্যন্ত এই বিশেষ ছুটি মঞ্জুর করা হয়।
অবসর উত্তর ছুটি (PRL)
চাকুরি শেষে অবসর গ্রহণের পর কর্মচারীর হিসাবে জমাকৃত ছুটি সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১২ মাস (৩৬৫ দিন) পূর্ণ বেতন ও ভাতাসহ পিআরএল ভোগ করা যায়।
আপনার অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা জানতে চান?
আপনার পিআরএল (PRL) শুরুর তারিখ, এককালীন লাম্পগ্র্যান্ট, গ্র্যাচুয়িটি এবং মাসিক পেনশনের সম্ভাব্য নিখুঁত হিসাব বের করুন খুব সহজেই।
অবসর সুবিধা হিসাব করুন